বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার সালথায় আওয়ামী আমলের সারের ডিলার বাতিলের দাবিতে উত্তাল মানববন্ধন ঝুঁকিপূর্ণ মিটারে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক: ধামরাইয়ে নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতের গড়িমসি ও মালিকপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগ জমে উঠেছে ইসলামপুর ঈদের বাজার, খুশি ব্যবসায়ীরা ॥ ইবাদতে চাই পূর্ণ মনোযোগ: রমজান হোক আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের মাস নেতানিয়াহুর ‘মৃত্যু’ নিয়ে ধোঁয়াশা: ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবিকে ‘গুজব’ বলছে ইসরায়েল ২০৪২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকবেন তারেক রহমান: জয়নুল আবদিন ফারুক

অবশেষে পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি

অবশেষে পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। এ সময় তিনি তাঁর মূল পদ উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের গ্রেড-১ অধ্যাপকের পদে ফেরার আবেদন করেন।

আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আবেদনপত্র জমা দেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এসময় শিক্ষামন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা, শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে করণীয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে উপাচার্যের মতামত জানতে চান এবং এক্ষেত্রে তাঁর সহযোগিতা কামনা করেন।

উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীকে বিস্তারিত ভাবে অবহিত করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বৃহত্তর শিক্ষাখাতের উন্নয়নে অব্যাহত ভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী দেশের ক্রান্তিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় উপাচার্যকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়াতে চান বলে জানিয়েছিলেন। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে তিনি বলেছিলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি হঠাৎ করে কোনো শূন্যতা সৃষ্টি করছি না, পদত্যাগ করে চলে যাচ্ছি না। আমি সরকারকে একটি সুযোগ দিচ্ছি তারা যেন প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসন সাজিয়ে নিতে পারে। তবে ধারাবাহিকতা রক্ষার বিষয়ে আমার একটি বিশেষ অনুরোধ থাকবে।

উপাচার্য তখন আরো বলেছিলেন, ‘আমরা ২০২৪ সালের আগস্ট মাসের শেষের দিকে এক ক্রান্তিকালীন ও বিশেষ পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলাম। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা ছিল অত্যন্ত সংকটাপন্ন। একাডেমিক কার্যক্রম কার্যত বন্ধ ছিল, হলগুলো ছিল অনিশ্চিত অবস্থায়, আর প্রশাসনিক কাঠামো ছিল প্রায় অচল। সেই আপৎকালীন পরিস্থিতিতে আপনাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের প্রথম ও প্রধান কাজ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম ফের চালু করা এবং প্রতিষ্ঠানটিকে একটি স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে আসা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com